রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
Logo আনোয়ারার শিক্ষা ব্যবস্থায় ফলাফলে বিপর্যয়: কারণ খুঁজছেন অভিভাবকরা, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের দাবি Logo মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পাচঁ বৎসরে পঁচিশ কোটি বৃক্ষরোপণ। Logo বাংলাদেশে ‘টেক সিটি’ ও ‘ইনোভেশন সিটি’ গড়ে তুলতে আগ্রহী জাপান Logo বাংলাদেশে গাড়ি বানাতে চায় জাপান Logo আনোয়ারার রুদুরা বৌদ্ধ প্রগতি সংঘের উদ্যোগে শুভ প্রবারনা পূর্নিমা অনুষ্ঠিত Logo আনোয়ারায় ইয়াবা ব্যবসায়ী টাউট ইব্রাহিম গ্রেপ্তার Logo চলতি সংসদ অধিবেশনেই বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি পাস করতে চায় জাপান, জাপান থেকে আমদানি করা গাড়ির উপর থেকে ১৫ বছরের জন্য উঠে যাচ্ছে শুল্ক Logo শিক্ষক কিংবা অন্য পেশায় কর্মরত কারও সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই: প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান Logo রাজনৈতিক কারণে বাধ্য হয়ে ১৭ বছর বিদেশে থাকতে হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রী Logo সচিবালয়ের ঊর্ধ্বর্তন বাছাই কমিটিতে সরওয়ার জামাল এমপি
নোটিশঃ
যে কোন বিভাগে প্রতি জেলা, থানা/উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘dainikalokitobangla.com ’ জাতীয় পত্রিকায় সাংবাদিক নিয়োগ ২০২৩ চলছে। বিগত ১ বছর ধরে ‘dainikalokitobangla.com’ অনলাইন সংস্করণ পাঠক সমাজে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পাঠকের সংখ্যায় প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নানা শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছে তরুণ, অভিজ্ঞ ও আন্তরিক সংবাদকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ‘dainikalokitobangla.com‘ পত্রিকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার এ ধাপ

চলতি সংসদ অধিবেশনেই বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি পাস করতে চায় জাপান, জাপান থেকে আমদানি করা গাড়ির উপর থেকে ১৫ বছরের জন্য উঠে যাচ্ছে শুল্ক

শাহরিয়ার মাহমুদ চৌধুরী / ১৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৪ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ভারসাম্য তৈরির লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) চলতি পার্লামেন্ট অধিবেশনেই অনুমোদন করাতে চায় জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

বাংলাদেশের জন্য এটি কোনো দেশের সঙ্গে প্রথম অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি। চুক্তির খসড়া তৈরির সময় শুল্ক কাঠামো, আইনি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিশ্লেষণেও বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে টোকিও।

জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা অর্থনৈতিক অগ্রগতির পর আগামী মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের কথা রয়েছে। এলডিসি সুবিধা উঠে গেলে উন্নত দেশের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য আগের মতো শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। তবে জাপানের সঙ্গে ইপিএ কার্যকর হলে নতুন শুল্কের সম্ভাব্য চাপ অনেকটাই সামাল দেওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দুই দেশ গত ফেব্রুয়ারিতে চুক্তিটিতে সই করে। এখন পুরোপুরি কার্যকর করতে বাংলাদেশ ও জাপানের পার্লামেন্টে অনুমোদনসহ অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে পরস্পরকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে ইপিএ কার্যকর হতে পারে।

চুক্তি কার্যকর হলে জাপান থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা গাড়ির ইঞ্জিন ও টায়ারের ওপর শুল্ক আগামী ১৫ বছরের মধ্যে পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জাপানি যাত্রীবাহী গাড়ি ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের মতো সমান সুবিধা পাবে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে জাপানে রপ্তানি হওয়া পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের ওপরও সব শুল্ক প্রত্যাহার হবে। ফলে এলডিসি উত্তরণের পর জাপানি বাজারে শুল্ক বেড়ে বাংলাদেশি পোশাকের মূল্য প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না।

চুক্তি তৈরিতে জাপানের সহায়তা শুধু কোন পণ্যে শুল্ক কমবে বা কোন দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া হবে—এই হিসাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিটি ধারার সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব, ঝুঁকি এবং বাস্তবায়নে বাংলাদেশের কী ধরনের আইনি কাঠামো প্রয়োজন, সে বিষয়েও বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছে টোকিও। ভবিষ্যতে অন্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির সময় বাংলাদেশ যেন প্রতিকূল শর্তে আটকে না পড়ে, সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রথম ইপিএ ভবিষ্যতে অন্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার একটি ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে জাপান। বিশেষ করে এমন সময়ে এই চুক্তি এগোচ্ছে, যখন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আমদানি উৎস বর্তমানে চীন। ২০২৪ সালে ভারত-বান্ধব শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিরাপত্তা ও অবকাঠামো উন্নয়নে বেইজিংয়ের সহযোগিতা চেয়ে আসছে বাংলাদেশ—এমন প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেছে প্রতিবেদনে।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘চীন সবসময় নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করেই বিভিন্ন অর্থনৈতিক চুক্তি তৈরি করবে।’

টোকিওর হাতে অবশ্য বড় বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। জাপান কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রগ্রেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ বা সিপিটিপিপিরও সদস্য। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তারা একদিকে বাংলাদেশের বাণিজ্য সক্ষমতা ও স্বনির্ভরতা বাড়াতে চায়, অন্যদিকে ঢাকার সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করে এই অঞ্চলে চীনের একক প্রভাবের বিপরীতে একটি ভারসাম্য তৈরি করতে চাইছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Developed by : BD IT HOST