আনোয়ারা ওষখাইন রজায়ী দরবার শরীফ’র প্রতিষ্ঠাতা ও সাজ্জাদানশীন পীরজাদা আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ উল্লাহ্ রজায়ী প্রকাশ রজায়ী হুজুর বলেন, কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মত্যাগের মাধ্যমে পশু কোরবানি দিয়ে সাধারন মানুষের মাঝে বিলীন হয়ে যেতে পারি এবং ত্যাগের কিছু মহিমা আমরা যেন তাদের জন্য রাখতে পারি এটাই হোক আজকের দিনের আমাদের প্রত্যাশা।
শনিবার, ৭ জুন আনোয়ারা উপজেলার ঐতিহ্যবাহি ওষখাইন সৈয়্যদেনা হযরত আবু বকর ছিদ্দিক (র:) জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৭ টায় অনুষ্ঠিত স্থানীয় ঈদ জামাত শেষে আনোয়ারাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে রজায়ী হুজুর এসব কথা বলেন।
রজায়ী হুজুর বলেন, কোরবানির ত্যাগের মহিমায় আমরা দুস্থ, অসহায়,গরীব মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি।
কোরবানির পশু জবাইয়ের পর যে ৩ ভাগ, তার ১ ভাগ নিজের জন্য, ১ ভাগ গরিব, দুস্থ, অসহায়ের জন্য এবং আরেকভাগ আত্মীয়-স্বজনের জন্য এই চিন্তা ভাবনাটা যেন আমাদের সবার মাঝে থাকে।
রজায়ী হুজুর আরো বলেন, আনোয়ারায় পশু কোরবানির পর দ্রুততম সময়ে কোরবানি পশুর বর্জ্য যাতে আমরা অপসারণ করতে পারি, বর্জ্য অপসারণে আমরা নিজ নিজ কোরবানির গরুর বর্জ্য অপসারন করার জন্য অনুরোধ করবো, কোরবানি পশু জবাই করার সাথে সাথে বেশি করে পানি দিয়ে সেগুলো পরিষ্কার রেখে এবং কোরবানি পশুর বর্জ্য যেখানে সেখানে না ফেলে নির্ধারিত স্থানে গর্ত করে পুঁতে রাখার অনুরোধ করেন।। রজায়ী হুজুর আরো বলেন,আমি বিশ্বাস করি সবাই মিলেমিশে একসাথে কাজ করলে এই আনোয়ারাকে আমরা সুন্দর রাখতে পারবো। তাই ময়লা আর্বজনা রাস্তার ধারে ও যত্রতত্র না ফেলে নির্ধারিত স্থানে গর্তে পুঁতে আনোয়ারাকে আমরা সুন্দর রাখতে পারি।
পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত শেষে দেশ ও জাতির এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।